জেল গেট, মোঃ সাদ্দাম। বাগেরহাট সদর থানা। আপনার জরুরি সাক্ষাৎ আছে। গেটে আসুন


 হঠাৎ জেলের মাইক বেজে উঠল।

কঠিন গলায় ডাক এলো—


“জেল গেট, মোঃ সাদ্দাম। বাগেরহাট সদর থানা। আপনার জরুরি সাক্ষাৎ আছে। গেটে আসুন।”


সাদ্দাম কিছু বুঝে ওঠার আগেই গেটের দিকে হাঁটল।

প্রথম দরজাটা খুলতেই চোখে পড়ল—একটা অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে আছে।

সাথে একজন পুলিশ। নিস্তব্ধ কণ্ঠে সে জানাল ঘটনা।

আর বলল—মাত্র ৫ মিনিট সময়।

শুধু স্ত্রী আর শিশু সন্তানকে একবার দেখার জন্য।


হয়তো চিৎকার করার সুযোগটুকুও পায়নি।

কোনো শব্দ বের হয়নি।

কিছু বলেনি।

শুধু নির্বাক হয়ে তাকিয়ে ছিল।


কী ভয়াবহ অন্যায়!

১০ মিনিট সময়ও দেওয়া হলো না।

নিজের প্রিয় সহধর্মিণী আর কখনো কোলে না নেওয়া একমাত্র সন্তানের কবরে এক মুঠো মাটি দেওয়ার অধিকারটুকুও পেল না।


যে সন্তানের জন্মের সময় সে জেলে ছিল—

যাকে কোনোদিন “বাবা” বলে ডাকতে শোনেনি—

আজ প্রথম দেখল…

কিন্তু জীবিত নয়।

নিথর।


এখন সাদ্দাম কী করছে?

হয়তো চোখ দুটো এতটাই ক্লান্ত,

যদি একটু ঘুমিয়ে যেতে পারত—

কিন্তু এমন ঘুম কি আসে?


একবার শুধু ১০ সেকেন্ড এই জায়গায় নিজেকে কল্পনা করে দেখুন।

শ্বাস নিতেও কষ্ট হবে।


হে আল্লাহ,

এই অসহনীয় শোক বুকে নিয়ে বেঁচে থাকার মতো ধৈর্য সাদ্দামকে তুমি দান করো। 🤲


#saddam #Banglanews

Next Post Previous Post