স্বামীর বন্ধু একটি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে আত্মগোপনের জন্য বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নেয়


 স্বামীর বন্ধু একটি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে আত্মগোপনের জন্য বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। স্বামী সারাদিন কর্মস্থলে বাইরে থাকায় সেই বন্ধুর দেখভালের দায়িত্ব পড়ে স্ত্রীর ওপর। এই সুযোগেই ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে তারা গোপন পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।

স্বামীর অনুপস্থিতিতে দিনের পর দিন তাদের শারীরিক সম্পর্ক চলতে থাকে। একসময় সেই বন্ধু গোপনে মোবাইলে সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে রাখে এবং পরবর্তীতে সেই ভিডিও দেখিয়ে বন্ধুর স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায় যে, সে নারীকে স্বামীর কাছ থেকে আলাদা করে ঢাকায় নিয়ে যায় এবং ভাড়া বাসায় স্বামী–স্ত্রী পরিচয়ে একসঙ্গে বসবাস শুরু করে।

পরবর্তীতে প্রেমিকের চাপে পড়ে ওই নারী তার স্বামীকে ডিভোর্স দেয়। কিন্তু বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই প্রেমিকের আসল রূপ প্রকাশ পায়। শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। দীর্ঘদিন সেই নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে সে পালিয়ে এসে প্রাণে বাঁচে।

শেষ পর্যন্ত সে আবার আগের স্বামীর কাছে ফিরে যেতে চাইলে স্বামী তা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি জানান, প্রয়োজনে আজীবন একা থাকবেন, তবুও এমন প্রতারক স্ত্রীকে আর জীবনে ফিরিয়ে নেবেন না।

এই সিদ্ধান্ত অনেকের কাছে কঠোর মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—

বিশ্বাস একবার ভেঙে গেলে তা আর আগের মতো জোড়া লাগে না। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার মূল ভিত্তি হলো সততা, বিশ্বাস ও সম্মান। যে সম্পর্কে সেগুলো ধ্বংস হয়ে যায়, সেখানে জোর করে ফিরে যাওয়া মানে নিজ আত্মসম্মানকে বিসর্জন দেওয়া।

হ্যাঁ, ওই নারী পরে নির্যাতনের শিকার হয়েছে—এটা নিঃসন্দেহে দুঃখজনক। কিন্তু তার আগের ভুল সিদ্ধান্ত, প্রতারণা ও সচেতন পরকীয়া কোনোভাবেই উপেক্ষা করা যায় না।

অতএব বলা যায়—স্বামী তার আত্মসম্মান ও মানসিক শান্তির কথা ভেবেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

#followersreelsfypシ゚viralシfypシ゚viralシalシ #facebookpostシ #reelschallenge #foryoupageシ #vairalpost #vairalvideo #StopOnlineGambling #প্রবাসি #সৌদি

Next Post Previous Post